BDMarriage Blog

Most reliable marriage site in Bangladesh

21. February 2018 15:30
by Admin
0 Comments

ইসলামের দৃষ্টিতে বিবাহ বন্ধন

21. February 2018 15:30 by Admin | 0 Comments

বৈরাগ্য বাদ ইসলামে নিষেধ, বিবাহ করা রাসুল (স)-এর সুন্নত। বিবাহিত পুরুষ এবং নারীর দৃষ্টি নিম্নগামী হয় এবং এটা গুনাহ হতে বাঁচার একটি উত্তম পন্থা। আল-কোরআনে স্বামীকে স্ত্রী এবং স্ত্রীকে স্বামীর পোশাক বা লেবাস বলা হয়েছে। অর্থাৎ পোশাক পরিধান করলে  বাইরের দূষিত কোনো রূপ বাতাস বা কোনোরূপ খারাপ বস্তু স্পর্শ করতে পারে না। তদ্রূপ বিবাহের পর বাইরের কোনো কু-দৃষ্টি এদের স্পর্শ করতে পারে না।
 
মেয়ে দেখা বা পছন্দ করার ব্যাপারে ইসলামি বিধান হলো শুধু ছেলেই পারবে মেয়েকে দেখতে, তাও দুই হাতের কব্জি বা টাখনু পর্যন্ত এবং মুখমণ্ডল। তাছাড়া ছেলের পিতামাতা যদি দেখে সে অন্য কথা। যৌতুক ছাড়া এদেশে বিয়ে হয় না। মেয়ের পক্ষ হতে বেশি পরিমাণে দেওয়া হয়। আর যদি মেয়ে কালো অথবা বেঁটে হয় তবে কোনো কথাই নেই। অবশ্য যৌতুক দেওয়া-নেওয়া উভয়ই হারাম। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কিছু দেওয়া-নেওয়া হয় সেটা অন্য কথা।
 
গায়ে হলুদ দিতে গিয়ে নাচ, গান, বাদ্যযন্ত্র, রং ছিটা-ছিটি ইত্যাদি ইসলাম সম্মত নয়। একে অপরকে আংটি পরাবে এটাও ইসলাম পরিপন্থী। কারণ পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার করা নিষেধ।
 
ছেলে অথবা মেয়ের পক্ষ হতে সামর্থ ছাড়া বিয়ের অনুষ্ঠান বড় আকারে করা কিংবা ইজ্জত-সম্মানের খাতিরে টাকা ধার করে অথবা সুদে টাকা নিয়ে অনুষ্ঠান করা নিষেধ। আর যদি ব্যবসার উদ্দেশ্যে  যেমন অনুষ্ঠানে খরচ হবে দুইলক্ষ টাকা, উঠবে তিনলক্ষ টাকা এমন উদ্দেশ্যে বিয়ের অনুষ্ঠান করা আরো বিপজ্জনক। প্রকাশ থাকে যে, অলিমা বা বৌ-ভাত ইসলামে নিষেধ নয়। তবে এ ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
 
বিয়েতে মোহর ধার্য করা এবং তা পরিশোধ করা সুন্নত। লক্ লক্ষ টাকা মোহর ধার্য করা হয় কিন্তু পরিশোধ করার খবর নেই, এমনটা করা উচিৎ নয়। মহরে ফাতিমি করাই উত্তম। কারণ মহরে ফাতিমি ছিল রাসূল (স) এর করা নির্দিষ্ট একটি পরিমাণ মোহর, তা হলো ৪৮০ দিরহাম।
 
কোন মুসলিম পুরুষ অমুসলিম নারীকে মুসলিম না বানিয়ে বিয়ে  করলে তা বৈধ হবে না। প্রকাশ থাকে যে, মেয়ের সম্মতি ও খুশির সাথে অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। কারণ ইসলাম তাদেরকে পছন্দ করার অধিকার দিয়েছে। রাসূলে পাক (স) সব কটা মেয়েকে অনুমতি সাপেক্ষে বিয়ে দিয়েছেন। বিয়ের কথাবার্তা ঠিক হবার পর আক্দ হওয়ার আগ পর্যন্ত দেখা সাক্ষাৎ হারাম। মসজিদে বিয়ে পড়ানো সুন্নত। বর মসজিদে থাকবে এবং কনে তার গৃহে অবস্থান করবে। বিয়ের পর খেজুর অথবা মিষ্টি বিতরণ করা সুন্নত। আগেই বলা হয়েছে, বৌ-ভাত করা মুসতাহাব বা সুন্নত। সামর্থ্য না থাকলে একে অপরকে চাপ প্রয়োগ করা যাবে না।
 
বাসর ঘরকে অযথা পয়সা ব্যয় করে সাজানো যাবে না, তবে পরিষ্কার-পরিছন্নতা রাসূল (স) পছন্দ করতেন। প্রথমেই স্বামী-স্ত্রী দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন। অতঃপর স্বামী স্ত্রীর মাথায় হাত রাখবেন এবং নববধূর জন্য দোয়া করবেন। কিছু হাদিয়া বা কিছু খাবার স্ত্রীর সামনে রাখবেন এবং একে অপরের মুখে খাবার তুলে দিবেন এবং আল্লাহ পাকের নিকট নেক সন্তানের জন্য দোয়া প্রার্থনা করবেন।