BDMarriage Blog

Most reliable marriage site in Bangladesh

30. May 2019 14:48
by Admin
0 Comments

রমজান-২০১৯

30. May 2019 14:48 by Admin | 0 Comments

 

বছর ঘুরে রমজান এলো আবার রমজান চলেও যাচ্ছে।এভাবে সবকিছুই আসবে আবার চলেও যাবে।আমি আপনি দুনিয়াতে আসছি আবার একই নিয়মে চলেও যাব।খুবই অল্প সময় আমরা দুনিয়াতে স্থায়ী হই।এই অল্প সময়ে ভাল-মন্দ দুটি কাজরই অভিজ্ঞতা আমাদের হয়।নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি মানুষের অবচেতন মনের একটি আকর্ষন থাকে।আর মানুষ নিষিদ্ধ আকর্ষনের দিকে দাবিত হয় আর একই সাথে বিপদগামী হয়।ইসলাম নিজেকে সঠিকপথে, কল্যানেরপথে থাকার অনেক দিক-নির্দেশনা দিয়েছে।সেগুলো অনুযায়ী আমল করলেও আমরা নিজেকে সঠিক পথে নিয়ে আসতে পারি।কিন্তু যে নিষিদ্ধ জিনিসগুলো আমাদের অভ্যাসে পরিনত হয়েছে সেগুলো দূর করা একটু দূঢ়হ ব্যাপার।এরজন্য রোজা সংযম সাধনার একটি উৎকৃষ্ট মাস।এই মাসেই আমরা রোজা রেখে আমাদের কতিপয় বদঅভ্যাসগুলো দূর করেতে পারি।মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব।অসম্ভব অনেক কিছুই মানুষ সম্ভব করেছে আর এই বদঅভ্যাসগুলো যা যা আমার ভিতর আছে তা দূর করা অসম্ভব কিছু নয়।একটু সদিচ্ছা, ত্যাগ স্বীকার, ভবিষ্যত পরিকল্পনা এগুলো আপনাকে বদঅভ্যাস থেকে পরিত্রান পেতে সাহায্য করবে ।নিজেকে সুসংগঠিত এবং গুছিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে এই সিয়াম সাধনার মাস রোজার কোন বিকল্প নেই।মনে রাখতে হবে এই রমজানেই আমরা সুদ-ঘুষ, যৌন কর্মকান্ড, মিথ্যাচার এমন অনেক পাপাচার থেকে মুক্তি পেতে পারি যা ইতিপূর্বে আমার মধ্যে বিরাজমান ছিল।বিবাহোত্তর এবং বিয়েপূর্ব উভয়ক্ষেত্রে মনকে পরিচর্যা করি তাহলে ভাল পরিচর্যার জন্য ভাল ফলটাই পাবো।অদূর ভবিষ্যতে আপনি মিষ্টি ফল না টক ফল নিয়ে এগোবেন তা আপনাকেই নির্ধারন করতে হবে।

17. May 2019 15:48
by Admin
0 Comments

প্রেম-ভালবাসা বিয়ের আগে না পরে?

17. May 2019 15:48 by Admin | 0 Comments

প্রেম-ভালবাসা করে বিয়ে করবো, না বিয়ে করে প্রেম-ভালবাসা করবো।আমার অনেক বন্ধু যারা কিনা প্রেম-ভালবাসা এগুলো করে ক্ষান্ত হয়েছে, তারপর বিয়ে করেছে।বিয়ের আগে প্রেম-ভালবাসা না করলে আমি স্মার্টবয় না এমনটাই বলা হত।আসলেই তাই কিনা আমি এর গভীরে গিয়ে চিন্তা করেছি। প্রেম-ভালবাসাটা আমার কাছে এক রকম Sacrifice এর মত।যৌবনের উঠতি বয়সে এটি একটি মোহ হিসেবে কাজ করে।এই সময়টায় যারা নিজেকে সংযত করতে পারে তারা বহুদূর এগিয়ে যায়। প্রেম-ভালবাসার ক্ষেত্রে মানুষ নিজের উপর নিয়ন্ত্রন রাখতে পারে না।তাই বিয়ের আগে এবং বিয়ের পরে এই দুই সময়টাতে মানুষ প্রেম-ভালবাসা করে ফেলে।কিন্তু ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ের আগে প্রেম-ভালবাসা করা সম্পূর্ন হারাম।এই কথাটি হাস্যরসের সৃষ্টি করবে সেই সব তরুন-তরুণীদের মধ্যে যারা পাশ্চাত্য আর কুফরি সিস্টেমের আধুনিকতা অন্তরে ধারন করে।আল্লাহ যেটা নিষেধ করেছেন, যেটা হারাম করেছেন সেটা কখনই আমাদের জন্য কল্যানকর হবে না এবং এটার ফলাফল দুনিয়াতে আমরা হাতেনাতে পাই এবং পেয়ে থাকি।যেমন প্রেমে ছ্যাকা খাওয়া, অবৈধ গর্ভপাত, প্রেমের ফাদেঁ পড়ে ধর্ষন ও গনধর্ষনের শিকার হওয়া এমন নানাবিধ আরও অনেক বিষয় যা নিজের কাছে নিজের অসম্মান, আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের কাছ থেকে অসম্মান, অপমান আর লাঞ্ছনা।এগুলো একসময় সইতে না পেরে অবশেষে আত্মহত্যার মত পথ বেছে নিতে হয়।আমাদের সমাজে প্রায়শই এমন ঘটনা ঘটছে।যদি ভালভাবে হিসাব মিলিয়ে দেখি তাহলে দেখবো আল্লাহতায়ালার নিষেধ অমান্য করা, হারাম কাজ বেছে নেওয়াই এর মূল কারন।বিয়ের আগে প্রেম-ভালবাসাকে স্মার্টলি দেখার কোন সুযোগ নেই বরং এটা আমার জন্য শুধু ক্ষতিই বয়ে আনবে।আমি স্মার্ট তখনই হব যখন নিজেকে বিয়ের জন্য সামর্থ্যবান করতে পারবো, নিজেকে কারও যোগ্য করে তুলতে পারবো। আমার জীবনসঙ্গীর কাছে নিজেকে আস্থাশীল, শ্রদ্ধাশীল ও ব্যক্তিত্বপূর্ন করে তুলতে পারা, শরীর কেন্দ্রিক প্রেম-ভালবাসা, ভোগবাদী চিন্তা, মানসিক উ্ত্তেজনা, বেহায়াপনা এরকম অসংখ্য হারাম কাজ থেকে নিজেকে সংযত রাখতে পারার নামই স্মার্টনেস।নিজেকে নিজের ভালোর জন্য সংযত করি, হারাম পরিহার করি, আর যেহেতু প্রেম-ভালবাসাটুকু আমার জীবনসঙ্গীর প্রাপ্য তাই বিয়েপরবর্তী সময়ের জন্য এটা সযত্নে জমা করে রাখি।

3. May 2019 15:03
by Admin
0 Comments

ডিভোর্স বা বিবাহ-বিচ্ছেদ

3. May 2019 15:03 by Admin | 0 Comments

আমরা রাতে ঘুমানোর আগে চিন্তা করি আগামীকাল কি কি করবো।কখনও কি ভেবে দেখেছি আমি যা যা চিন্তা করেছি আগামীকালটা আমার সেই ভাবেই কেটেছে।মোটেই না, কখনই আমার প্ল্যানমত আগামীকালটা কাটেনি।একটু হলেও এদিক-সেদিক হয়েছে।এর মানে কি? আসলে কোন কিছুই আমার ইচ্ছেমত হয়না।যা কিছু হয় মহান আল্লাহতায়ালার ইচ্ছেতেই হয়।এই যে ধরুন বিয়ে হয় তারপর আবার অনেকের ক্ষেত্রে ডিভোর্স হয়ে যায়।আমি কি কখনও ভেবেছি যাকে আমি মন থেকে পছন্দ করে বিয়ে করেছি তার সাথে আবার ডিভোর্স হয়ে যাবে।কিন্তু তারপরও ডিভোর্স হয়ে যায়।সঙ্গী-সঙ্গীনির প্রতি আস্থা কমে যাওয়া, বিশ্বাস ভঙ্গ, মতের অমিল মূলত এ কারন গুলোই একজন মানুষকে বিবাহ-বিচ্ছেদের দিকে তাড়িত করে।একজন ভাল বন্ধু বা সঙ্গী সে-ই হতে পারে যার সঙ্গে আপনার পছন্দগুলোর মিল থাকবে, আপনার ধারনার সাথে তার ধারনা মিলে যাবে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বিরাজ করবে।বিয়ের আগে এই ব্যাপারগুলো একটু হলেও যাচাই-বাছাই করে নিতে হবে।হুট করে বা তাড়াহুড়ো করে শুধু বিয়েই নয় কোন কাজই করা ঠিক নয়।দেখা যায় সবকিছু ঠিকঠাকমত করার পরও বিবাহ-বিচ্ছেদের মত দূর্ঘটনা ঘটে থাকে।যাহোক ডিভোর্স বা বিবাহ-বিচ্ছেদ যেকোন কারনেই হতে পারে।এটাকে অনান্য একটি দূর্ঘটনার মতই একটি দূর্ঘটনা মনে করুন।নিজেকে পুনরায় গুছিয়ে নিন।আপনার জীবনসঙ্গীর ভূলগুলো ধরার আগে নিজের ভুলগুলো খুঁজে বের করুন এবং সেগুলো সংশোধনের চেষ্টা করুন।নতুনভাবে স্বপ্ন দেখুন নতুনভাবে জীবন শুরু করুন।আর নিজের মনকে শান্ত করুন এইভেবে আসলে কোন কিছুই আমার ইচ্ছেমত হয়না, যা কিছু হয় মহান আল্লাহতায়ালার ইচ্ছেতেই হয়।কোন কিছুই শেষ হয়ে যায়নি।ডিভোর্সের পর নতুনভাবে কোন জীবন সঙ্গীর সাথে আবদ্ধ হওয়া দেখা যেতে পারে এটা আপনার জীবনের মোড় পাল্টে দিয়েছে।ঠিক যেই মূহুর্তে আমরা আল্লাহকে ভুলে যাই তখনই আমরা বিপদগামী হই।প্রচন্ড বিপদের সময়ও শান্তি খুঁজে পাওয়া সম্ভব যদি আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে আল্লাহর মুখাপেক্ষী হই।আমি আবার নতুনভাবে শুরু করতে পারবো কিনা, নতুনভাবে আবার জীবনসঙ্গী নির্বচন করবো কিনা, আবার সমস্যা সৃষ্টি হবে কিনা, এই চিন্তাগুলো আপনার জন্য শান্তি বয়ে আনবেনা বরং অশান্তি দিন দিন চলমান হবে।তাই সবসময় আল্লাহর কাছে দোয়া চাওয়া উচিত।আপনার জীবনের গতিপথ অনেক ভাবেই বাধাগ্রস্থ হবে, এটাই স্বাভাবিক।কিন্তু সবকিছুর পরও একটা সত্যিকরের ভালবাসার গল্প আপনার জীবনে হতে পারে।আর সেটাই হবে আপনার জীবনের স্বার্থকতা।এমনভাবে আপনাকে গড়ে তুলুন যারা আপনাকে চেনে তারা যেন আপনাকে দেখে অনুপ্রানিত হয়।

25. April 2019 21:51
by Admin
0 Comments

বিবাহের উপযুক্ত সময়

25. April 2019 21:51 by Admin | 0 Comments

বিবাহ করতে হবে এটা ঠিক, কিন্তু আমরা কি জানি আসলে কোন সময়ে বিবাহ আমার জন্য উপযুক্ত ? ইসলাম কি বলে, ইসলাম বিবাহের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন বয়সের কথা বলেনি।হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহের সামর্থ রাখে, তাদের বিবাহ করা কর্তব্য।কেননা বিবাহ হচ্ছে দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণকারী, যৌনাঙ্গের পবিত্রতা রক্ষাকারী।আর যার সামর্থ নেই সে যেন রোজা পালন করে। কেননা রোজা হচ্ছে যৌবনকে দমন করার মাধ্যম।(বুখারী ৫০৬৫;মুসলিম ১৪০০)

ইসলামের দৃষ্টিতে সাবালক/সাবালিকা এবং সামর্থবান হলেই বিয়ে করে নেওয়া উত্তম।কিন্তু সমাজ, রাষ্ট্রের দিকে তাকালে আইনানুগভাবে ছেলে এবং মেয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বয়স ঠিক করা আছে। ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮।উক্ত বয়স বিবেচনায় আনলে অনেক ক্ষেত্রে কোন ছেলে বা মেয়ে উক্ত বয়সে মানসিকভাবে পরিণত হতে পারে আবার নাও হতে পারে।তাই এর জন্য লক্ষ্যনীয় বিয়ের জন্য সে কতটুকু প্রস্তুত, বিয়ে মানেই নতুনভাবে একটি দায়িত্ব নেওয়া এবং নতূন পরিবেশের সঙ্গে সে কতটুকু খাপ খাইয়ে নিতে পারবে এই বিষয়গুলো বিশেষভাবে বিবেচ্য।শুধু তা-ই নয় সংগী নির্বাচনও একটি গুরত্বপূর্ণ বিষয়।দ্বীনদার এবং বংশ দেখে বিয়ে করা।মোট কথা আমাকে সাবালক এবং সামর্থবান হতে হবে।মানসিক ও শাররীকভাবে প্রস্তত হতে হবে, অবশ্য সেটা বয়সের সংঙ্গে সর্দস্য রেখে।এই অবস্থাতে বিয়ে করে নেওয়া উত্তম নচেৎ চরিত্রহীন, ব্যভিচারী হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি যা জীবনকে করে তুলবে তিক্তময়।রাসুলুল্লাহ বলেছেন বিয়ে হচ্ছে অর্ধেক ঈমান।অবিবাহিত থেকে অনেক নেক কাজ করলেও ঈমান পরিপূর্ণ করার মর্যাদা লাভ করে না।এজন্য বিয়ে এবং ঘর-সংসারের দায়িত্ব পালন একটি পরিপূণূ ঈমানের জন্য গুরত্বপূর্ণ বিষয়। তাই আমাদের মধ্যে যাদের সামর্থ আছে কালবিলম্ব না করে অতি দ্রুত সম্ভব বিয়ে করে নেওয়া উচিত।সঠিক সময়ে বিয়ে না করলে নানামুথী পাপাচার, জীবনে বিশৃঙ্খলা ও মনের মধ্যে অস্থিরতা ঘর বাধার সস্ভাবনা থেকে যাবে।

18. April 2019 14:14
by Admin
0 Comments

বিডি ম্যারেজ-এ আমার গল্প

18. April 2019 14:14 by Admin | 0 Comments

অনেক দিন ধরেই বিয়ে বিষয়টি মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।আবার পরিবারের দিক থেকেও একটি বাড়তি চাপ ছিল।বিয়েটা মনে হয় এবার করতেই হবে।কিন্তু বিয়েতো এত সহজ ব্যাপার না চাইলাম আর করে ফেললাম।এটা টের পেলাম যখন কনে খোজঁ করা শুরু হলো।একদিক দিয়ে মিলে তো আর একদিক দিয়ে মিলে না।ঘটক ভাই, অমুক ভাই, তমুক ভাই কেউই বাদ গেল না।টাকার টাকা তো গেলই, সময়ও যা নষ্ট হওয়ার তা হল।কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হলো না।অবশেষে ঠিক করলাম নিজে নিজেই একটু চেষ্টা করে দেখিনা।এরই মাঝে আমার এক বন্ধু আমাকে বলল bdmarriage.com-এ একটু চেষ্টা করে দেখতে পার।বেছে নিলাম bdmarriage.com কে।নিজের একটি  প্রোফাইল করে ফেললাম।প্রোফাইলটি এ্যাকটিভ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখলাম আমার সঙ্গে ম্যাচ করে এমন অনেকগুলো প্রফাইল আমার এখানে দেখাচ্ছে।বিভিন্ন জেলা, বয়স ইত্যাদি অনেক গুরত্বপূর্ন বিষয় নির্বাচন করা যায়।অনেক গুলো প্রোফাইলের  মাঝ থেকে তিনটি প্রোফাইল বেছে নিলাম।যখারীতি এস এম এস পাঠালাম ও চ্যাটিং করলাম।তিন জনের মধ্যে একজনকেই বেশি মনে ধরে গেল।কথা চালিয়ে গেলাম এবং পারিবারিকভাবে দেখা করার সিদ্ধান্ত নিলাম।একটি নির্দিষ্ট দিন ঠিক করে দুই পরিবার একত্রিত হয়ে দেখা করলাম।লক্ষ্য করলাম দুই পরিবারের মধ্যেই অন্যরকম একটি খুশির রেশ বয়ে যাচ্ছে।কনে পক্ষের দিক থেকে আমাকে ওরা খুব পছন্দ করল, আমার পক্ষের লোকজনও কনে দেখে খুব পছন্দ করল।বাস আর কি, সব যখন ঠিকঠাক দেরি করে আর লাভ কি। এভাবেই আসলে ঘটা করে আমাদের বিয়ে নামক মূল্যবান কাজটি সেড়ে ফেললাম।আর এই মূল্যবান কাজটি সহজে সম্পন্ন করতে পেরে��ি bdmarriage.com এর জন্য।গল্পটি সৈয়দ মাশরুর ইসলাম এবং জান্নাতআরার। bdmarriage.com- এ ভিজিট করুন, দেখূন তারপর সিদ্ধান্ত নিন।হতে পারে এই গল্পটির মত আপনারও একটি সুন্দর গল্প।

11. April 2019 12:08
by Admin
0 Comments

বিবাহের গুরত্ব

11. April 2019 12:08 by Admin | 0 Comments

যৌবনের উঠতি বয়সে বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা, অস্থিরতা, চঞ্চলতা একজন যুবক-যুবতীকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরে।এই সময়টাতে বিপদগামী হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী থাকে।ইসলাম এই বিষয়গুলো থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দিয়েছে।তার মধ্যে একটি হচ্ছে বিবাহ বা নিকাহ।এছাড়াও মানুষ একাকী বাস করতে পারে না, তার প্রয়োজন সঙ্গীর।বিবাহ প্রত্যেক মানুষকে স্বংসম্পুর্ন্ করার পাশাপাশি তার সংসারকেও স্বংসম্পুর্ন্ করে।শুধু তা-ই নয় বিবাহ মানুষকে সুন্দর চরিত্র দান করে, অবৈধ দৃষ্টি থেকে চক্ষুকে সংযত রাখে, লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করে।বিবাহ বন্ধন দু-একদিনের জন্য নয়।এটা এমন একটি গুরত্বপূর্ন্ ব্যাপার যা চাইলেই দু-একদিন পরপর পরিবরর্ত্ করা যায় না।সুতরাং এখানে ছেলে-মেয়ে সকলেরই বুঝাপড়া ও পছন্দের অধিকার আছে এবং শুধুমাত্র প্রেম, সৌন্দর্য্ ও আবেগে নয়; বরং বিবেক ও দিমাগে সে বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে হয়।কিছু কিছু লোক তার জীবনসঙ্গির ধন-সম্পত্তির মোহে পড়ে বিবাহের সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়।এতে করে বিবাহের যে সঠিক উদ্দেশ্য তা সাধিত হয় না।প্রয়োজনে সবদিক বিবেচনা করে তারপর বিবাহের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।তার সঙ্গী দেখতে কেমন তা পরখ করে নিতে হবে।এর জন্য নারীর পর্দার একটি ব্যাপার চলে আসে।বিডি ম্যারেজ-এ নিবন্ধিত প্রত্যেক নারীর ছবি প্রদর্শন, তার ব্যক্তিগত তথ্য ইত্যাদি বিষয়ে যথেষ্ট গোপনীয়তা রক্ষা করে।আপনি বিডি ম্যারেজ-এ হাজার হাজার প্রফাইল থেকে আপনার পছন্দমত প্রফাইল বেছে নিতে পারবেন।আপনার সু-শৃঙ্খল জীবনটাকে আরো সু-শৃঙ্খল করতে বিবাহ একটি ধাপ যা আপনার জীবনটাকে আরো আনন্দময় করে তুলবে।

3. April 2019 15:57
by Admin
0 Comments

Get the Right Choice

3. April 2019 15:57 by Admin | 0 Comments

Marriage is the name of a sweet bond by which a woman and man get socially recognized as husband and wife. The importance of marriage to a beautiful relationship is very bright. So bdmarriage help to make together each other. Why bdmarriage.com? because,  bdmarriage atrustworthy site. You can easily find your life partner from bdmarriage.com. bdmarriage protects you very much about your profile. Specifically your mobile number, picture and address are not provided to any other person. You can take free registration from bdmarriage.com, you do not have to pay any money for this. If you want to talk to a preferred profile or SMS, you only need to pay a specific package by paying a fee. You will find details in View membership plan. Within short time you will find your required choice . So that you can save your time and money. Stay in touch with bdmarriage.com.

 

21. February 2018 15:30
by Admin
0 Comments

ইসলামের দৃষ্টিতে বিবাহ বন্ধন

21. February 2018 15:30 by Admin | 0 Comments

বৈরাগ্য বাদ ইসলামে নিষেধ, বিবাহ করা রাসুল (স)-এর সুন্নত। বিবাহিত পুরুষ এবং নারীর দৃষ্টি নিম্নগামী হয় এবং এটা গুনাহ হতে বাঁচার একটি উত্তম পন্থা। আল-কোরআনে স্বামীকে স্ত্রী এবং স্ত্রীকে স্বামীর পোশাক বা লেবাস বলা হয়েছে। অর্থাৎ পোশাক পরিধান করলে  বাইরের দূষিত কোনো রূপ বাতাস বা কোনোরূপ খারাপ বস্তু স্পর্শ করতে পারে না। তদ্রূপ বিবাহের পর বাইরের কোনো কু-দৃষ্টি এদের স্পর্শ করতে পারে না।
 
মেয়ে দেখা বা পছন্দ করার ব্যাপারে ইসলামি বিধান হলো শুধু ছেলেই পারবে মেয়েকে দেখতে, তাও দুই হাতের কব্জি বা টাখনু পর্যন্ত এবং মুখমণ্ডল। তাছাড়া ছেলের পিতামাতা যদি দেখে সে অন্য কথা। যৌতুক ছাড়া এদেশে বিয়ে হয় না। মেয়ের পক্ষ হতে বেশি পরিমাণে দেওয়া হয়। আর যদি মেয়ে কালো অথবা বেঁটে হয় তবে কোনো কথাই নেই। অবশ্য যৌতুক দেওয়া-নেওয়া উভয়ই হারাম। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কিছু দেওয়া-নেওয়া হয় সেটা অন্য কথা।
 
গায়ে হলুদ দিতে গিয়ে নাচ, গান, বাদ্যযন্ত্র, রং ছিটা-ছিটি ইত্যাদি ইসলাম সম্মত নয়। একে অপরকে আংটি পরাবে এটাও ইসলাম পরিপন্থী। কারণ পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার করা নিষেধ।
 
ছেলে অথবা মেয়ের পক্ষ হতে সামর্থ ছাড়া বিয়ের অনুষ্ঠান বড় আকারে করা কিংবা ইজ্জত-সম্মানের খাতিরে টাকা ধার করে অথবা সুদে টাকা নিয়ে অনুষ্ঠান করা নিষেধ। আর যদি ব্যবসার উদ্দেশ্যে  যেমন অনুষ্ঠানে খরচ হবে দুইলক্ষ টাকা, উঠবে তিনলক্ষ টাকা এমন উদ্দেশ্যে বিয়ের অনুষ্ঠান করা আরো বিপজ্জনক। প্রকাশ থাকে যে, অলিমা বা বৌ-ভাত ইসলামে নিষেধ নয়। তবে এ ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
 
বিয়েতে মোহর ধার্য করা এবং তা পরিশোধ করা সুন্নত। লক্ লক্ষ টাকা মোহর ধার্য করা হয় কিন্তু পরিশোধ করার খবর নেই, এমনটা করা উচিৎ নয়। মহরে ফাতিমি করাই উত্তম। কারণ মহরে ফাতিমি ছিল রাসূল (স) এর করা নির্দিষ্ট একটি পরিমাণ মোহর, তা হলো ৪৮০ দিরহাম।
 
কোন মুসলিম পুরুষ অমুসলিম নারীকে মুসলিম না বানিয়ে বিয়ে  করলে তা বৈধ হবে না। প্রকাশ থাকে যে, মেয়ের সম্মতি ও খুশির সাথে অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। কারণ ইসলাম তাদেরকে পছন্দ করার অধিকার দিয়েছে। রাসূলে পাক (স) সব কটা মেয়েকে অনুমতি সাপেক্ষে বিয়ে দিয়েছেন। বিয়ের কথাবার্তা ঠিক হবার পর আক্দ হওয়ার আগ পর্যন্ত দেখা সাক্ষাৎ হারাম। মসজিদে বিয়ে পড়ানো সুন্নত। বর মসজিদে থাকবে এবং কনে তার গৃহে অবস্থান করবে। বিয়ের পর খেজুর অথবা মিষ্টি বিতরণ করা সুন্নত। আগেই বলা হয়েছে, বৌ-ভাত করা মুসতাহাব বা সুন্নত। সামর্থ্য না থাকলে একে অপরকে চাপ প্রয়োগ করা যাবে না।
 
বাসর ঘরকে অযথা পয়সা ব্যয় করে সাজানো যাবে না, তবে পরিষ্কার-পরিছন্নতা রাসূল (স) পছন্দ করতেন। প্রথমেই স্বামী-স্ত্রী দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন। অতঃপর স্বামী স্ত্রীর মাথায় হাত রাখবেন এবং নববধূর জন্য দোয়া করবেন। কিছু হাদিয়া বা কিছু খাবার স্ত্রীর সামনে রাখবেন এবং একে অপরের মুখে খাবার তুলে দিবেন এবং আল্লাহ পাকের নিকট নেক সন্তানের জন্য দোয়া প্রার্থনা করবেন।